তুলাতলী মঠ অবস্থিত ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে
ক্যা: আঃ রব খন্দকারের দাদা জাহনী খন্দকার ১৮০২ সালে মসজিদটি ঝোঁপের মধ্যে দেখতে পেয়ে পুনঃসংস্কার করেন

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমির সমাহার আমাদের চাঁদপুর জেলা !! শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতেই ইচ্ছে করে, এমন অপরূপ সৌন্দর্য!! এটা সবার জানা আছে। প্রাকৃতিক সমস্ত সুন্দর যেন চাঁদপুর জেলায় বহু দৃষ্টিনন্দন স্থান আছে। চাঁদপুরে দেখার মত ঘুরে বেড়ানোর মতও অনেক সুন্দর দর্শনীয় স্থান রয়েছে। সেই সব দর্শনীয় জায়গা গুলোর মধ্যে তুলাতলী মঠ পুরনো দিনের সাক্ষী ঐতিহাসিক তুলাতলী মঠ। আনুমানিক ২৫০ বছর পূর্বে সেই সময়ের জমিদার যাত্রা মনি মজুমদার এই মঠটি প্রতিষ্ঠা করেন। তুলাতলী মঠ ৩০০’ বছরের প্রাচীন। তুলাতলী মঠের পূর্ব পাশে একটি প্রাচীন নৌপথ ছিলও। ক্যা: আঃ রব খন্দকারের দাদা জাহনী খন্দকার ১৮০২ সালে মসজিদটি ঝোঁপের মধ্যে দেখতে পেয়ে পুনঃসংস্কার করেন।
চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ডের তুলাতলী গ্রামের মনোরম পরিবেশে দশ শতক জায়গার উপর এই ঐতিহাসিক মঠটি অবস্থিত। এই মঠটির পাশে বায়াত্তর শতক জমির উপর নারায়ণ মন্দিরটি । প্রতি বছর চৈত্র মাসে এখানে হাজার হাজার লোকের সমাগমে অনুষ্ঠিত হয় ঢোল উৎসব । এই মঠটি আব্দুস ছাত্তার , গ্রাম: নাউরা, উপজেলা: শাহরাস্তি এর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এর আওতায় কুমিল্লা যাদুঘরের উদ্যোগে সর্বশেষ এই মঠটির সংস্কার কার্য করা হয়।
যাতায়াত: চাঁদপুরে যাওয়ার সহজ উপায় ঢাকা সদরঘাট থেকে চাঁদপুরের অনেক ভালো লঞ্চ যাতায়াত করে। বাসে যেতে চাইলে সায়দাবাদ থেকে পদ্মা পরিবহন, আল আরাফাহ পরিবহন, রয়েল কোচ, বিলাস বাস যাতায়াত করে। জেলা সদর থেকে বাসযোগে কচুয়া এবং কচুয়া থেকে সিএনজি/অটোরিকশা/ মোটর সাইকেল করে যাওয়া যায়।
কন্ট্রিবিউটর : সাব্বির হোসেন