বাংলাদেশের জাতীয় ছুটির দিনসমূহ
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : সম্প্রীতির এই দেশের জাতীয় ছুটির দিনগুলো জেনে নিন
হিন্দুদের বিদ্যার দেবী সরস্বতী । ছবি : আনন্দ বাজার
সরস্বতী পুজা :
সরস্বতী হলো হিন্দুদের বিদ্যার দেবী। সরস্বতী পুজা হিন্দু বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর উদ্দ্যেশ্যে পালন করা হয়। এটি একটি অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব।
নিয়ম অনুযায়ী, মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পুজা আয়োজিত হয়ে থাকে। উক্ত তিথিকে শ্রীপঞ্চমী বলা হয় বা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। বাংলাদেশে সরস্বতী পুজা উপলক্ষ্যে বিশেষ উৎসাহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।
শ্রীপঞ্চমীর দিন খুব সকালে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ছাত্রছাত্রীদের বাসা ও পুজামণ্ডপে দেবী সরস্বতীর পুজা করা হয় । অনেক ধর্মপ্রাণ হিন্দু পরিবারে এই দিন শিশুদের হাতেখড়ি এছাড়া ব্রাহ্মণভোজন ও পিতৃ তর্পণের প্রথাও প্রচলিত রয়েছে যা বিশেষ প্রশংসনীয়। বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের অনুগামীরা পুজার দিন সন্ধ্যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পুজামণ্ডপে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। পুজার পরের দিনটিকে বলা হয় শীতলষষ্ঠী।
একুশে ফেব্রুয়ারি :
ছবি : পিন্টারেস্ট
একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার দাবিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, সফিকসহ নাম না জানা আরও অনেকে শহীদ হন। ভাষার দাবিতে নিজের জীবনকে দিয়ে দেয়ার নজির পৃথিবীর কোথাও নেই। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো আমাদের মাতৃভাষা দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
১৭ ই মার্চ : ১৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। গোপালগঞ্জ জেলার টুংগীপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ ই মার্চ বঙ্গবন্ধু জন্মগ্রহণ করেন। এই দিনটি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বাঙালি জাতি।
২৬ শে মার্চ : ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিনটি থেকে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। ২৫শে মার্চ নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাক বাহিনীর বেপরোয়া সৈনিকরা ঝাঁপিয়ে পরে। পরবর্তীতে ২৭ই মার্চ জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ হতে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ১৯৭২ সালের ২২ই জানুয়ারি ২৬শে মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে প্রজ্ঞাপন দেয়া হয়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
ঈদুল ফিতর :
ছবি : ফেব হোটেল
মুসলমানদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আসে কাঙ্খিত ঈদুল ফিতরের দিন। ঈদের বাংলা অর্থ বারবার ফিরে আসা। বর্তমানে প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবকে অত্যন্ত গুরুত্ব এবং যথাযথ মর্যাদার সহিত পালন করা হয়ে থাকে। ঈদুল ফিতরকে বা রোজার ঈদলে বলা হয় রোজা ভাঙ্গার দিন। এদিন রোজা রাখা একদম নিষিদ্ধ। এই দিন রোজা ভাঙ্গা বাধ্যতামূলক।
এই সময় মুসলমানরা নিজেকে নিয়ে বিভোর থাকে না বরং এর পরিবর্তে গরীব আত্মীয় স্বজনের খোঁজ খবর নেন। শুধু তাই নয় নিজের পরিবারের পাশাপাশি তাদের জন্য কেনাকাটা করেন। ঈদের সময় মা-বাবা, ভাই-বোনসহ আত্মীয় স্বজনের সাথে ঈদ করার জন্য গ্রামের বাড়ীতে ছুটে যান অনেকেই। সকল মান-অভিমান, ঝগড়া বিবাদ ভুলে গিয়ে ঈদের নামাজের পর মুসল্লীরা একে অন্যকে আলিঙ্গন করেন, কোলাকুলি করেন।
কিন্তু ঔপনিবেশিক আমলে তা সম্ভব ছিল না। ধর্মীয় অজ্ঞতা এবং যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে মুসলিমরা ঈদ সেভাবে পালন করতে পারত না। মুঘল যুগে ধনাঢ্য মুসলমানদের মধ্যেই ঈদের আনন্দ সীমাবদ্ধ ছিল। সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোনো প্রকার আনন্দ তখন ছিল না ঈদ উপলক্ষে। কিন্তু বর্তমানে এটি সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়েছে। ঈদে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা হতো। যেমন : পোলাও, কোরমা, পিঠা, সেমাই, জর্দা, নকশি পিঠা, মিষ্টান্ন এবং আরও অনেক কিছু।
ঊনিশ শতকের ঈদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ঈদ উপলক্ষে বিশাল মিছিল। বিশ শতকের তিরিশ চল্লিশ দশকের দিকে ঢাকার রমনা এবং আরমানিটোলাসহ বেশ কিছু জায়গায় খটক নাচ অনুষ্ঠিত হতো। এই শতকেই মুসলিম স্বতন্ত্র আন্দোলন শুরু হলে ঈদ উৎসব এর গুরুত্ব নতুনভাবে তৈরি হয়। তখন মানুষের অজ্ঞতা ধীরে ধীরে কাটতে থাকে এবং শুধুমাত্র ধনীদের মধ্যেই নয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে যায়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পাকিস্তান রাষ্ট্রের তৈরি হয়। মুসলমানদের সংখ্যা গরিষ্ঠতার কারণে ঈদের আমেজ তখন নতুন করে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
ঈদুল আযহা :
ছবি : টাইম এন্ড ডেট ডট কম
মূলত ঈদুল আজহা বাংলায় মানুষদের কাছে কোরবানির ঈদ নামে পরিচিত। হযরত ইবরাহীম (আ.) তার প্রিয় পুত্র ইসমাইলকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে কোরবানি দেয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তারই অনুসরণে আজও মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রতিবছর কোরবানি দিয়ে থাকেন। মহান রাব্বুল আল-আমিনের সন্তুষ্টির লক্ষ্যে জিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে পশু জবেহ করা। ইসলামে সবার ওপর কোরবানি বাধ্যতামূলক নয়। তাদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব করা হয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট হিসাব পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে।
জিলহজ মাসের ১০ তারিখে বিশ্বজুড়ে সকল মুসল্লীরা কোরবানি ঈদ শুরু করে। অর্থাৎ হজ্বের পরদিন মুসলমানরা মেতে উঠে ঈদ উৎসবের আনন্দে। এই আনন্দ উৎসব চলে প্রায় চার দিন পর্যন্ত। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় কোরবানির হাঁট বসে। হাঁটে গরুর গলায় কাগজের মালা পড়ানো হয়, খাসি ও গরুর পাশাপাশি উট, দুম্বা সীমিত আকারে কোরবানির হাঁটে নিয়ে আসা হয় বিক্রির উদ্দেশ্যে। দুই ঈদের দিন মুসুল্লিরা নতুন কাপড় পরিধান করে। পরিবার পরিজন এবং পাড়া প্রতিবেশীদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।
মহরম : হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেনের কারবালার যুদ্ধে এজিদের হাতে সপরিবারে শাহাদাত হন। শিয়া সম্প্রদায়ের এই দিনটাকে যথাযথ মর্যাদায় পালন করে থাকেন। হিজরী বছরের প্রথম মাস 'মহরমে'র প্রথম দশ দিন মহরম উৎসব পালন করা হয়ে থাকে। আশুরার দিনে অর্থাৎ দশম দিনে ইমাম হোসেনের তাজিয়া নিয়ে শোভাযাত্রা বের হয়। এই শোভাযাত্রায় লাঠি খেলা, ছুড়ি খেলা হয়ে থাকে।
শিয়া পুরুষরা নিজেদের গাঁয়ে বিভিন্ন ভাবে আঘাত করে থাকেন ইমাম হোসেনের যন্ত্রণা কিছুটা উপলব্ধি করার জন্য। এমনকি তারা জ্বলন্ত কয়লার উপরে হেঁটে যান। তবে কুরআন মাজিদে কিংবা হাদিস শরীফে এই ধরনের উৎসব পালন করা বলা হয় নি, নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবুও শিয়া বংশধররা বংশপরম্পরায় মহরম উৎসব এভাবে পালন করে থাকেন।
ঈদে মিলাদুন্নবী : হিজরী বছরের তৃতীয় মাসের ১২ তম দিনে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর জন্ম এবং শাহাদাত বার্ষিকী। এই দিনে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করা হয়ে থাকে। মুসলমানরা যথাযথ মর্যাদার মাধ্যমে দিনটি পালন করে থাকেন। মহানবী ইন্তেকালের পূর্বে ১২ দিন পর্যন্ত অসুস্থ ছিলেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এই ১২ দিন ব্যাপী কোরআন পাঠ এবং ধর্মীয় আলোচনা করা হয়ে থাকে।
শবে বরাত : হিজরি শাবান মাসের ১৪ এবং ১৫ তারিখের মাঝামাঝি সময়ে শবে বরাত পালন করা হয়ে থাকে। এই দিনটিতে মুসলমানরা অত্যন্ত গুরুত্বের সহকারে পালন করে থাকেন। নফল নামাজ এবং ইবাদত বন্দেগী আল্লাহর উদ্দেশ্যে করে থাকেন। এই দিনটিতে আল্লাহ বান্দাদের বিশেষভাবে ক্ষমা করেন। হাদিস অনুসারে এই দিনটি দোয়া কবুল এবং ক্ষমা প্রার্থনার জন্য বিশেষভাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
প্রতিরাতের শেষ অংশে মহান আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে আসেন বান্দাদের ডাক শোনার জন্য। বাংলাদেশ শবে বরাত উদযাপনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা হয়, যেমন : রুটি-হালুয়া, সুজি, লুচি, মিষ্টান্ন। বিকালে এবং সন্ধ্যায় পাড়া প্রতিবেশীদের সাথে এই খাবার ভাগাভাগি করে নেয়া হয়। দরিদ্রদের মাঝেও খাবার বিতরণ করা হয়৷ এছাড়া বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোতে শবেবরাত উপলক্ষে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পহেলা বৈশাখ :
ছবি : দা ডেইলি স্টার
পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। ১৪ই ফেব্রুয়ারি জাঁকজমকভাবে দিনটি পালন করা হয়। এটি একটি লোক উৎসব। জমজমাট আয়োজন এর মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশে পালিত হয় এই আয়োজন। অতীতের ভুল ত্রুটি দূর করে দিয়ে নতুন পথের আগমনের বাঙালি জাতি মেতে ওঠে এই উৎসবে।
পূর্বে কৃষির কল্যাণে শুধুমাত্র পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হত। পহেলা বৈশাখ উৎসবের আয়োজন শুরু হয়েছিল সম্রাট আকবরের আমলে। বহু বছর ধরেই উৎসবে অংশ হিসেবে শুধুমাত্র হালখাতা খোলাই প্রধান কাজ হিসেবে ছিল। হালখাতা বলতে পুরনো হিসাব-নিকাশ বাদ দিয়ে নতুন হিসাব নিকাশের জন্য নতুনভাবে সবকিছু শুরু করা কে বোঝায়। এই সময় দোকানিরা খদ্দেরকে মিষ্টি বিতরণ করে থাকেন।
মে দিবস :
পহেলা মে আন্তর্জাতিক মে দিবস বা আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস হিসেবে বলা হয়ে থাকে। ১৮৮৯ সাল থেকে এই দিনটি মে দিবস হিসেবে পৃথিবীর সকল দেশে পালিত হয়। এই দিনটিতে শিকাগো শহরে ৮ ঘন্টা প্রতিদিন কাজের দাবিতে শ্রমিকরা আন্দোলন করে। আন্দোলনের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণ করা হয়। যেখানে ৪ জন শ্রমিক মারা যায়। শ্রমিকদের মৃত্যু স্মরণ করেই নয়, শ্রমিকেরা তাদের বিভিন্ন দাবি সহ অন্যান্য অনেক বিষয় এই দিনটিতে উদযাপন করে থাকে। এই দিনের রেলি, বিশেষ আলোচনা সভা বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালিত হয়।
শবে কদর : শবে কদরের আরেক নাম লাইলাতুল কদর। রমজান মাসের শেষ দশ দিনের যেকোনো বেজোড় রাতে শবে কদর হয়ে থাকে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এই দিনটিতে সারারাত ধরে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে।
বুদ্ধ পূর্ণিমা :
ছবি : লেটেস্টলী বাংলা
বুদ্ধ পূর্ণিমার আরেক নাম বৈশাখী পূর্ণিমা। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন। বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে বুদ্ধপূর্ণিমা পালিত হয়। এই দিনটিতে গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেন। এই দিনে মন্দিরে আরাধনায় ভক্তরা নিমগ্ন থাকেন। এছাড়াও প্রদীপ জ্বালিয়ে বুদ্ধ'কে মনে করা হয়।
জন্মাষ্টমী : জন্মাষ্টমীর উৎসব হলো হিন্দুদের ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মবার্ষিকী। মূলত সৌর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জন্মাষ্টমী পালন হয়। এই তিথিতে জন্মগ্রহণ করেন শ্রীকৃষ্ণ। এই দিনে অনেক ভক্তরা শ্রী কৃষ্ণের উপাসনা করেন। অনেকেই আবার উপবাস রাখেন। হিন্দুদের মধ্যে এটি বিশ্বাস করা হয় যে শ্রীকৃষ্ণের প্রতিমার সাথে বাঁশি এবং ময়ূরের পালকগুলি রাখা হয়, তবে ঈশ্বর খুশী হন। এতে করে জীবনে সুখ আসে। বলা হয়ে থাকে কেউ যদি এক বার শ্রীকৃষ্ণের এই জন্মাষ্টমী উপবাস পালন করেন, তা হলে তাঁকে আর এ জগতে জন্ম, মৃত্যু, কষ্ট ভোগ করতে হয় না। এমনকি পুনর্জন্ম গ্রহণ করতে হয় না।
বিজয়া দশমী :
ছবি : ওয়ান ইন্ডিয়া বেঙ্গলী
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ভারতীয় উপমহাদেশে প্রাচীন যুগ থেকেই নানান রূপে দেবী দুর্গার আরাধনা হয়ে আসছে। মূলত দেবীপক্ষের পুণ্য তিথিতে সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী- এই তিনদিন মহা আয়োজনে দেবী দুর্গার পূজা হয়ে থাকে। আর শেষ দিন অর্থাৎ বিজয়া দশমীতে দেবীকে বিদায় জানানো হয়।
জাতীয় শোক দিবস : ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। এই দিনটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। কিছু বিপথগামী সেনা বাহিনীর সদস্যরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল। বাঙালি জাতির জন্য একটি কলঙ্কিত দিন এটি। দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন সভা এবং আলোচনা অনুষ্ঠান করা হয়।
বিজয় দিবস :
ছবি : পার্বত্য নিউজ
১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে৷ ৩০ লাখের বেশি শহীদের বিনিময়ে এবং ২ লাখের অধিক মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা আমাদের হাতে এসে পৌঁছে ছিল। এই দিনটিতে সর্বস্তরের বাঙালি শ্রদ্ধাভরে উদযাপন করে।