চাঁদপুর ঐতিহাসিক নাগরাজাদের বাড়ি

ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : নাগরাজাদের বাড়ি



নাগরাজাদের বাড়ি

নাগরাজাদের বাড়ি, চাঁদপুর



চাঁদপুর ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের জন্য বিখ্যাত। আসুন আজ জেনে নিই চাঁদপুরের দর্শনীয় স্থান নাগরাজাদের বাড়ি নিয়ে।  মতলব (দঃ) উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে রয়েছে নাগরাজাদের বাড়ি। এক সময় ছিলো নারায়ণপুর পরগণার সদর দফতর। পাঁচ শতাধিক বছরের পুরানো নাগরাজ বাড়িতে রয়েছে অনেক প্রাসাদ ও স্থাপনা। বাড়িটি বারদুয়ারী নামে প্রসিদ্ধ। এখানে একটি সুউচ্চ মঠ রয়েছে। লোকে বলে রাজার মঠ। পাশেই ছোট একটি মঠ বাঁদীর মঠ নামে পরিচিত। বোয়ালজুরি খালের দু’পাড়ে দুটি জমিদারি ছিলো এবং ওখানে সংঘটিত হয়েছিলো একটি যুদ্ধ, নাগরাজা ও দারাশাহের মধ্যে। যুদ্ধে জয়লাভ করে দারাশাহ প্রেমিকা রামেশ্বরী দেবীকে বিয়ে করেন। তুলপাই গ্রামে রয়েছে রামেশ্বরী দেবীর ত্রিতল প্রাসাদের ভগ্নাংশ। বিয়ের পর তিনি শেখ দারা রামেশ্বরী দেবী নামে জমিদারি পরিচালনা করতেন। চাঁদপুরের গান্ধী হিসেবে পরিচিত হরদয়াল নাগ এই রাজবাড়ির অধস্তন পুরুষ। তার পিতার নাম রামদয়াল নাগ।

চাঁদপুর যাওয়ার উপায়:

ঢাকা থেকে চাঁদপুর যাওয়া যায় বাসে, ট্রেনে ও লঞ্চে। তবে সবচেয়ে ভালো হবে লঞ্চে করে গেলে। এতে একদিনে ভ্রমণের মজাটা আরও বেড়ে যাবে। ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এমভি সোনারতরী, এমভি তাকওয়া, এমভি বোগদাদীয়া, এমভি মেঘনা রাণী, এমভি আল বোরাক, এমভি ঈগল, এমভি রফরফ, এমভি তুতুল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। প্রতিদিন সদরঘাট থেকে সকাল ৭টা থেকে এক বা হাফ ঘণ্টা পরপর চাঁদপুর গামী লঞ্চ ছেড়ে যায়। ঢাকা থেকে চাঁদপুর যাওয়ার ভাড়া সাধারণত, ডেক ১০০ টাকা, চেয়ার ১৫০ টাকা, নন এসি সিংগেল কেবিন – ৫০০ টাকা, নন এসি ডাবল ৮০০ টাকা, সিঙ্গেল এসি ১০০০ টাকা এবং এসি ডাবল ১৫০০ – ২০০০ টাকা। লঞ্চে ঢাকা থেকে চাঁদপুর যেতে সময় লাগে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা। তারপর জেলা সদর থেকে বাস/ সিএনজি যোগে মতলব উত্তর হয়ে সিএনজি/ মোটর সাইকেল যোগে নাগরাজদের বাড়ী যাওয়া যায়।  

কন্ট্রিবিউটর: সাব্বির হোসেন

আরো পড়ুন ঃ জেনে নিন ফ্রান্সে অবস্থিত বৈশ্বিক ধনীদের আগ্রহের সেরা ৩ শহর

ফেসবুক পেইজঃ ট্রাভেল বাংলাদেশ