কলির রসা : কলার মোচা দিয়ে মজাদার লৌহ সমৃদ্ধ একটি সবজি
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : বারো মাসে খাওয়া যায় কলার মোচা দিয়ে রান্না করা কলির রসা
ছবি : বাংলা প্রি টিপস্
গ্রামীন সমাজে কলার মোচা বেশ জনপ্রিয় একটি সবজি হিসেবেই পরিচিত। কেউ বা একে ফেলনা বলে ডাকে কেউ বা একে কলার থোর বলেও ডেকে থাকে। তবে যে যাই ডাকুক না কেন এর গুণ বিচারে কিন্তু সবাই একমত হবেন। এটি অত্যন্ত লৌহ সমৃদ্ধ একটি সবজি, যা খাদ্য হিসেবে গ্রহনের ফলে মানবদেহের নানা রকমের রোগ সহজেই উপশম হয়। একনজরে দেখি নিই কলার মোচার উপকারি দিকসমূহ। কলার মোচায় আয়রনের সঙ্গে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি, যা আমাদের গলগণ্ড বা গয়টার রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আয়োডিন। মেনোপোজ বা নির্দিষ্ট বয়স পরে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া নারীদের হাড় গঠন মজবুত করতে এই বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। বয়স্ক নারী-পুরুষ ও বাড়ন্ত শিশু, খোলায়াড় বা যারা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন তাদের জন্য ও এই সবজি বেশ প্রয়োজনীয়।
- উপকরণ :
- রন্ধনপ্রনালী :
- বেসনের মিশ্রণ তৈরি :
- মূল রন্ধন প্রস্তুতি :
কলার মোচা সিদ্ধ করা। ছবি : গল্প ও রান্নাএকটি কড়াইয়ে পরিমানমতো তেল দিয়ে গরম করে নিতে হবে। কলার মোচার সিদ্ধ করা কলিগুলো বেসনে ডুবিয়ে গরম তেলে ভেজে নিতে হবে। ভাজা কলার মোচার কলি গুলো একটি পাত্রে আলাদা করে রেখে দিতে হবে।
একই তেলে দারুচিনি, তেজপাতা, এলাচি, জিরা দিয়ে দিতে হবে। কিছু সময় ভাজা হয়ে এলে মেথি, হলুদের গুড়া, জিরা বাটা, আদা বাটা, মরিচের গুড়ো, লবণ দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিতে হবে। মশলার মিশ্রন ভাজা হয়ে এলে অল্প পরিমানে পানি দিয়ে দিতে হবে। পানি ফুটতে শুরু করলে তাতে ভাজা কলার মোচার কলিগুলো দিয়ে দিতে হবে। ৫/৬ মিনিট রান্নার পর তাতে ২ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন কলার মোচার কলির রসা।
ছবি : ওমেনস্ কর্নার
টিপস :
- রান্নায় ঘি যুক্ত করলে রান্নার স্বাদ আরও বেড়ে যায়।
- কলার কলিগুলো ভালো করে সিদ্ধ করতে হবে যেন কাঁচা না থাকে।
- কলার কলিগুলো ভাল করে বেছে নিতে হবে কেননা এতে কস লেগে থাকে
- বেসনের পরিবর্তে ডাল বাটা ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে স্বাদে ভিন্নতা আসবে যা সত্যিকার অর্থেই চমৎকার।