হযরত সুরেশ্বরী রা:-এর রওজা মোবারক সুরেশ্বর দরবার শরীফ : শরীয়তপুর
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : আধ্যাত্মিক সূফী সাধক হযরত শাহ্ সূফী সৈয়্যেদ আহমদ আলী-এর রওজা মোবারক

এখানে ঐতিহাসিক নানান স্থানের পাশাপাশি ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনাও রয়েছে। তেমনই একটি সুরেশ্বর দরবার শরীফ (Sureswar Darbar Sharif)। শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর গ্রামে এই দরবার শরীফ অবস্থিত। অপরূপ পদ্মার মায়া জড়ানো নির্জন এক গ্রাম সুরেশ্বর। শান্ত গ্রামটি হযরত শাহ্ সূফী সৈয়্যেদ আহমদ আলী, ওরফে হযরত শাহ্ সূফী সৈয়্যেদ জান শরীফ শাহ্ রা:-এর জন্য এই অঞ্চলে খ্যাতি পায়।
হযরত শাহ্ সূফী সৈয়্যেদ আহমদ আলী
হযরত শাহ্ সূফী সৈয়্যেদ আহমদ আলী একজন একজন আধ্যাত্মিক সূফী সাধক। এই সাধককে তাঁর গ্রামের নাম অনুসারে হযরত সুরেশ্বরী রা: ও বলা হয়। প্রাচীনকাল থেকেই ধর্মীয় আধ্যাত্মিক গুরু, পীরদের তাঁদের নিজ জন্মস্থানের নামে ডাকার প্রচলন রয়েছে। জানা যায়, শাহ সুরেশ্বরী ছিলেন সুরের প্রেমিক। তিনি সঙ্গীত এবং সুরের মাধ্যমে স্রষ্টার আরাধনা ও তাঁর সাথে ভাবের সৃষ্টি করতে ভূমিকা পালন করেন। সুর মানুষের মনে যে প্রেম ও ভাবের জন্ম দেয় তা দিয়েই তিনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করেন। তিনি এখানে তাঁর দরবার শরীফ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর রওজা শরীফ ও এখানে অবস্থিত। এখানে একটি দায়রা শরীফ ও রয়েছে। এছাড়াও আছে দুটি পাথর। পাথর দুটিকে জীবন্ত পাথর হিসেবে বিশেষ সম্মান করা হয়। রওজা শরীফের পূর্ব দিকে বৃহদাকার এই পাথর রয়েছে।
যেভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে স্থল ও জল পথের দুটিই ব্যবহার করে শরীয়তপুর যেতে পারেন। তবে জলপথে সময় বেশি প্রয়োজন হয়। সায়েদাবাদ থেকে বাসে করে সরাসরি শরীয়তপুর যেতে পারেন। গ্লোরি এক্সপ্রেসের বাসে করে নড়ীয়ায় এবং নড়িয়া থেকে অটোরিকশা বা রিকশায় সুরেশ্বর দরবারে। জলপথে যেতে চাইলে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে যাত্রিক, নিরাপদ, সুরেশ্বর লঞ্চ নড়িয়া ঘাট পর্যন্ত যাতায়াত করে। নড়িয়া ঘাট হতে অল্প দূরত্বেই সুরেশ্বর দরবার শরীফ। রিকশা বা অটো নিয়ে যেতে পারেন।
সাখাওয়াত হোসেন এস এম