সবুজ শ্যামলিমায় ঘেরা শ্যামল বাংলা রিসোর্ট : ঢাকা
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : শ্যামল বাংলা রিসোর্ট, ঢাকা

প্রায় তিন একর জমির উপর গড়ে উঠেছে শ্যামল বাংলা রিসোর্ট। সবুজে সবুজে ঘেরা শ্যামল বাংলার চারপাশ। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠা করা হয় এই রিসোর্টটি। রিসোর্টের মুল ভবনটি ডুপ্লেক্স স্টাইলে করা হয়েছে। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝে গড়ে তোলা এই রিসোর্টটি খুব সাজানো-গোছানো। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। খুবই মনোমুগ্ধকর এই রিসোর্টটি ভীষণ সুন্দর এবং সবুজ। পুরোটাজুড়ে আছে প্রচুর রং- বেরংয়ের ফুলের গাছ। রয়েছে অ্যাকুয়ারিয়াম ভর্তি নানান জাতের বিভিন্ন রকমের মাছ আর খাঁচা ভর্তি পোষা পাখি। সারাক্ষণ তারা কিচিরমিচির করে। বাচ্চাদের জন্য এই রিসোর্টটি তাই খুব পছন্দের একটি জায়গা হয়ে উঠেছে।
জেনে নিন বিভিন্ন সার্ভিসগুলো
রিসোর্টে ঢুকতেই হাতের বামে পড়বে বাচ্চাদের জন্য কিডস জোন। রয়েছে টয় ট্রেন, সাম্পান এবং নাগরদোলা। রিসোর্টের প্রাচীরের গায়ে তুলে ধরা হয়েছে দেশ বিদেশের নানান বিখ্যাত জায়গার টেরাকোটা ছবি এবং এর বিস্তারিত তথ্য।
তবে টাকার অংকটা কমে আসবে পুরুষদের জন্য রাখা আলাদা সুইমিং পুলে। প্রতিজন ২৫০ টাকা। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার বিষয়েও এখানে অত্যন্ত সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়েছে। আলাদা করে এখানে আছে ফ্যামিলি জোন। এখানে পরিবারের সকলের সাথে সময় কাটাতে পারবেন। একদিনের ট্যুরের জন্য এই রিসোর্টটি দারুণ একটি অপশন হতে পারে। ট্যুর বা পিকনিক এর জন্য সব রকম ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। রয়েছে কনফারেন্স রুম যেখান মিটিং, ট্রেনিং, গেট টুগেদার ও ঘরোয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করার মতো সকল সু-ব্যবস্থা আছে। রিসোর্টের সামনের রাস্তার বিপরীতে গাড়ি পার্কিংয়েরও সুব্যবস্থা আছে।
আছে রেস্তোরা ও থাকার ব্যবস্থা
এখানে আছে জুস কর্নার এবং রিসোর্টের নিজস্ব ফুড কোর্ট। থাই, চায়নিজ,ইন্ডিয়ানসহ সবধরনের খাবার পাওয়া যায় এখানে। রয়েছে দেশীয় খাবারের সুব্যবস্থা। ভাত, মাছ, ডাল, ভুনা খিচুরির পাশাপাশি খাবার মেন্যুতে রয়েছে বারবিকিউ খাবারের আয়োজন। দাম রাখা হয়েছে নাগালের মধ্যে। থাকার জন্য এখানে রয়েছে ডিলাক্স সুপার ডিলাক্স এবং প্রিমিয়াম রুম। রুমগুলো খুব সুন্দর সাজানো গোছানো। প্রতি রাতের জন্য ১,৮০০ থেকে ৬,৫০০ টাকায় ডিলাক্স সুপার ডিলাক্স এবং প্রিমিয়াম রুম বুকিং দিতে পারবেন। এছাড়া রিসোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বুকিং-এর ব্যবস্থা আছে। বিভিন্ন উৎসবে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ নানান ডিসকাউন্ট অফার ও প্যাকেজ দিয়ে থাকে।
যেভাবে যাবেন : মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি নিয়ে যেতে পারেন এই রিসোর্টে। সিএনজি ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ৩০ টাকা। আর যদি রিজার্ভ নিয়ে নেন তাহলে ভাড়া পড়বে ১৫০ টাকা। এছাড়া নিজস্ব গাড়ি নিয়েও যেতে পারেন।সেক্ষেত্রে মোহাম্মদপুর থেকে মাত্র পনেরো থেকে বিশ মিনিটেই পৌঁছে যাবেন রিসোর্টে।
রুবাইদা আক্তার এস এম