সতীশ চন্দ্র মুখোপাধ্যায় নির্মিত শংকর মঠ, বরিশাল
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল: তরুণদের রাজনৈতিক চেতনায় উজ্জীবিত করতে মঠটি নির্মাণ করা হয়

আরও পড়ুন : মথুরাপুর দেউল মঠ : চারশত বছর ধরে কালের নীরব সাক্ষী হয়ে টিকে আছে
প্রায় সাড়ে তিন একরজুড়ে এই মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছিল। যদিও পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি একসময় তার জৌলুস হারিয়েছিল। পরবর্তীতে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে এটি বর্তমান অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।
সতীশ চন্দ্র মুখোপাধ্যায় মঠ আশ্রমের যাবতীয় সম্পত্তি শ্রী শ্রী শংকর মঠ আশ্রমের নামে ট্রাস্টি ডিড করে যান। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে এখানেই সমাধিস্থ করা হয়। আশ্রমে ঘুরতে গেলে তার সমাধিস্থের দেখা পাবেন। এই স্থানটি ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি রাজনৈতিক এবং ঐতিহাসিকভাবেও সমান গুরুত্ব বজায় রেখেছে। 
আরও পড়ুন : মত্ত মঠ : মানিকগঞ্জের ঐতিহাসিক স্থাপনা
এই মঠটি সুন্দর পরিচ্ছন্ন রাস্তা, ফুল পুকুর ঘাটসহ সব মিলিয়ে বেশ মনোমুগ্ধকর এক জায়গা। মন্দির সংলগ্ন এক একরজুড়ে জায়গা কীর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। সনাতন বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অসংখ্য ভক্তের সমাগম ঘটে এই জায়গাটিতে। এছাড়াও বিপুল আয়োজনে মহাসমারোহে প্রতিবছর রথ যাত্রাও অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এখানের মঠ সংলগ্ন মন্দির থেকে। মন্দিরের প্রবেশ পথে তোরন দেখতে পাবেন। মঠে সর্বমোট চারটি মন্দির রয়েছে।
যেভাবে যাবেন :
বাসে অথবা নৌপথে আপনি বরিশাল যেতে পারেন। গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালগামী বাস ছেড়ে যায়। পাটুরিয়া ঘাট এবং মাওয়া ঘাট হয়ে এই বাস গুলি বরিশালে যাওয়া আসা করে। ঢাকা বরিশাল রুটে বাস গুলির মাঝে হানিফ, ঈগল এবং সাকুরা পরিবহন বেশি জনপ্রিয়। নতুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস থেকে নেমে রিক্সা বা সিএনজি সহযোগে আপনি শংকর মঠে যেতে পারবেন। এছাড়াও নৌপথে সদরঘাট টার্মিনাল থেকে বরিশালের লঞ্চে যেতে পারেন। রাত ৮-৯ টার মাঝে এই লঞ্চগুলো বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। লঞ্চে যাত্রা করলে ভোর ৫টায় আপনি বরিশালে যেয়ে পৌঁছবেন।কোথায় খাবেন এবং থাকবেন
বরিশাল শহরে আপনি আবাসিক হোটেল পাবেন রাতে থাকার জন্য। এই হোটেলগুলোর মান বেশ ভালো। এছাড়াও খাবারের জন্য ভালো মানের হোটেলে পাবেন।মোঃ খালিদ বিন জামান এস এম
Click Here To See More