ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যর মধ্যে ভাদুঘর শাহী মসজিদ অন্যতম
ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক ভাদুঘর গ্রামে শাহী মসজিদ ১০৮৪ হিজরিতে প্রতিষ্ঠিত হয়

ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য খুবি পরিচিত একটা স্থান তা হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এখানে আছে পুরানো দিনের অনেক স্মৃতি অনেক দর্শনীয় স্থান সমূহ। হাতে একটা দিন সম করে ঘুরে দেখে আসতে পারেন। তেমনি আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাদুঘর শাহী মসজিদ অন্যতম। মুসলিম শাসক আওরঙ্গজেব ভারতবর্ষের মোঘল শাসকদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী ছিলেন। তিনি সুন্নি মতাদর্শ ভিত্তিক হানাফি মাজহাবের অনুসারী ছিলেন। তিনি কোরআনে হাফেজ ছিলেন। তিনি একজন যথার্থ বিদ্বান ব্যক্তি ছিলেন। তার পৃষ্ঠপোষকতায় বিখ্যাত ফতোয়ার কিতাব ফতোয়ায়ে আলমগীরী রচিত হয়। ইসলামের প্রতি আনুগত্য ও কঠোর ধর্মানুরাগী দরবেশ আওরঙ্গজেবকে জিন্দাপীর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাঁর রাজত্বকালে উপমহাদেশের অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসা স্থাপিত হয়। তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের অধীন সরাইল পরগণায় যে সব মুসলিম শাসক ছিলে তারা সম্রাট আলমগীরের নির্দেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্তর্গত ভাদুঘর গ্রামে ঐতিহাসিক “শাহী মসজিদ” নির্মাণ করেন।
মসজিদের ইতিহাস:
ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক ভাদুঘর গ্রামে শাহী মসজিদ ১০৮৪ হিজরিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক সূত্রমতে জানা যায় যে, বাদশাহ আলমগীর মসজিদের জন্য বেতন ও মোয়াজ্জেনদের খুবই মর্যাদা দিতেন। তিনি ইমামদের জন্য বেতন-ভাতা ও জায়গীরের ব্যবস্থা করেছিলেন বলে ঐতিহাসিক সূত্রে প্রকাশ। সেমতে ভাদুঘর শাহী মসজিদের ইমামদের বেলায় ও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। সরকারী সিদ্ধান্ত মোতাবেক লিখিত ফরমান ও জায়গীরের মাধ্যমে ইমাম হিসেবে প্রথম নিয়োগ দেওয়া হয়।কিভাবে যাবেন:
এটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি ব্যবসাকেন্দ্র। ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলার উত্তরে কুলিয়ারচর উপজেলা, পশ্চিমে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলাতে এই মসজিদটি।কন্ট্রিবিউটর - সাব্বির হোসেন