টাঙ্গাইল শহর থেকে জেলাটির সকল দর্শনীয় স্থানে কীভাবে যাবেন?
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল ইতিহাস-ঐতিহ্যের জেলা টাঙ্গাইলে ঘুরে আসুন মজাদার চমচমের টানে

টাঙ্গাইলে রয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। এই দর্শনীয় স্থানসমূহ দেশজুড়েই সমাদৃত। চলুন জেনে নেয়া যাক টাঙ্গাইলের মূল শহর থেকে কীভাবে এই দর্শনীয় স্থান সমূহে যাওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে।
উপেন্দ্র সরোবর দিঘি/বারো ঘাটলা দিঘি:

প্রাকৃতিক নৈসর্গিক স্বস্তির কিছুটা সময় কাঁটাতে চাইলে এই বারো ঘাটলা দিঘিতে আসতে পারেন। সেজন্য আপনাকে টাঙ্গাইলের মূল শহর থেকে বেবীস্ট্যান্ডে এসে সিএনজি যোগে নাগরপুরের এই বারো ঘাটলা দিঘিতে যেতে পারবেন। ভাড়া জনপ্রতি ৬০ টাকা। হেমনগর জমিদার বাড়ি : টাঙ্গাইলের জমিদার বাড়ির একটি আকর্ষণীয় জমিদার বাড়ি হচ্ছে হেমনগর জমিদার বাড়ি। টাঙ্গাইল শহর থেকে হেমনগরের উদ্দেশ্যে সিএনজি ছেড়ে যায়। ভাড়া ২০০ টাকা। এছাড়াও টাঙ্গাইল থেকে বাসে ভুয়াপুর বা গোপালপুর থানায় যেয়ে সেখান থেকে সিএনজি বা অটোরিক্সায় হেমনগর যেতে পারবেন।
পীরগাছা রাবার বাগান :

সবুজের রাজ্যে সারি সারি রাবার গাছের ফাঁকে সোনালি আলোর উঁকি দেয়া সৌন্দর্য উপভোগের জন্য এই জায়গাটিতে যেতে পারেন। সেজন্য আপনাকে টাঙ্গাইল মূল শহর থেকে মধুপুর যেতে হবে। টাঙ্গাইলের নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে মধুপুরগামী বাস পাবেন। মধুপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে অটরিক্সা, সিএনজি বা মোটরসাইকেলে রাবার বাগানে যেতে পারবেন। অটোরিক্সা ভাড়া ২৫-৩৫ টাকা। আর মোটরসাইকেলে পুরো বাগান ঘুরতে পারেন। ভাড়া ৩০০-৬০০ টাকা।
পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি : টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় পাকুটিয়ায় এই নান্দনিক জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। টাঙ্গাইল শহর থেকে সিএনজি অথবা দেলদুয়ার হয়ে লাউহাটি হয়ে পাকুটিয়া গামী স্থানীয় পরিবহনে এখানে পৌঁছাতে পারেন।
যমুনা বা বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট :

থ্রি স্টার মানের এই রিসোর্টটি বেশ সুন্দর। সেজন্য টাঙ্গাইল মূল শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে আপনাকে প্রথমে ভুয়াপুর যেতে হবে। এরপর সেখান থেকে সিএনজি বা রিক্সা যোগে এই রিসোর্টে যেতে পারবেন। সিএনজি ভাড়া ২৫-৩০ টাকা আর রিক্সা ভাড়া ৩০-৪০ টাকা।
টাঙ্গাইলের ডিসি পার্ক ও এসপি পার্ক : টাঙ্গাইলের মূল শহরেই এই দুটি পার্কের অবস্থান প্রায় কাছাকাছি। অটোরিক্সা যোগে বেশ সহজেই ডিসি পার্ক এবং এরপর এসপি পার্কে যেতে পারেন। ভাড়া ২০-২৫ টাকা।
২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ :

টাঙ্গাইল মূল শহর থেকে বাসে গোপালপুরে যেতে পারবেন। এরপর গোপালপুর থেকে ২০-৩০ টাকা সিএনজি, অটরিক্সার মাধ্যমে দেশের সর্বাধিক ২০১ গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদে পৌঁছাতে পারবেন।
মধুপুর জাতীয় উদ্যান : টাঙ্গাইলের নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে মধুপুরগামী যেকোনো বাসে এই মধুপুর জাতীয় উদ্যানে পৌঁছাতে পারবেন। নবাব মঞ্জিল : টাঙ্গাইল নতুন বাস স্ট্যান্ড থেকে ধনবাড়ির বাসে এই ঐতিহ্যবাহী রিসোর্টে পৌছাতে পারবেন। এছাড়াও সিএনজিতেও যেতে পারেন। সিএনজিতে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগবে এখানে পৌঁছাতে।
করটিয়া জমিদার বাড়ি :

টাঙ্গাইলের মূল শহর থেকে সিএনজি বা বাসে করটিয়া যেতে পারেন। সিএনজি ভাড়া ৩০-৪০ টাকা।
বাসুলিয়া : টাঙ্গাইল শহর থেকে সরাসরি সিএনজিতে নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বাসুলিয়া যেতে পারেন ভাড়া ৫০-৬০ টাকা।
ধলাপাড়া জামে মসজিদ : টাঙ্গাইলের মূল শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে সরাসরি ঘাটাইল যেতে পারবেন। এরপর সেখান থেকে ভ্যান বা সিএনজিতে ধলাপাড়া জামে মসজিদে যেতে পারবেন।
মহেড়া জমিদার বাড়ি : 
টাঙ্গাইল মূল শহর থেকে বাসে দুবাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে আসতে হবে আপনাকে। এজন্য ঢাকাগামী বাসে আসতে হবে আপনাকে। এরপর সেখান থেকে সিএনজি বা রিক্সায় মহেড়া জমিদার বাড়িতে যেতে পারবেন। সিএনজি ভাড়া ১৫-২০ টাকা এবং রিক্সা ভাড়া ৫০-৬০ টাকা।
আতিয়া মসজিদ : টাঙ্গাইলের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে রিক্সা বা অটোরিক্সায় বেবীস্ট্যান্ড এসে সেখান থেকে সিএনজিতে আতিয়া মসজিদে যেতে পারবেন। সিএনজি ভাড়া জনপ্রতি ৩৫-৪০ টাকা। চাইলে পুরাতন বাস স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি বা অটোরিক্সায় পাথরাইল বটতলায় এসে সেখান থেকে আতিয়া মসজিদে যাওয়ার অটোরিক্সায় আতিয়া মসজিদে যেতে পারেন।
মোঃ খালিদ বিন জামান এস এম