ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী বিপিন পার্ক
ময়মনসিংহ শহরের জয়নুল উদ্যানের কাছেই ৮নং ওয়ার্ডে জুবলী ঘাটে এ বিপিন পার্কের অবস্থান

বিপিন পার্ক
ছায়া সুনিবিড় পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে এই পার্কটি। ছোট এই পার্কটি বেশ ছিমছাম হলেও এর স্থাপত্যশৈলী দারুণ নজরকাড়া। স্টিলের পাইপ দিয়ে দেয়া হয়েছে সীমানা প্রাচীর। রয়েছে পাকা স্ল্যাবের হাঁটার পথ। এই পার্কটিকে গড় তোলা হয়েছে ‘থিমপার্ক’ হিসেবে। পার্কের মাঝখানে বসানো হয়েছে ঝরনা। এখানে রয়েছে ৯ ফুট উঁচু তিনটি দেশি প্রজাতির ডলফিন এর ভাস্কর্য। ফাইবারের তৈরি এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দিয়ে পার্কটিকে আরো আকর্ষণীয় করা হয়েছে। এ পার্কে এলে ব্রহ্মপুত্র নদও দেখা হয়ে যাবে আপনার।পাশাপাশি নদের বুকে ভেসে বেড়ানো পালতোলা নৌকা আর নদের ওপারের চরের মানুষের জীবন-জীবিকার চিত্র মুগ্ধ করবে। ব্রহ্মপুত্রের ঝিরিঝিরি বাতাস আর নদের পাড়ের সৌন্দর্য আপনার প্রাণ জুড়াবে। সব বয়সী দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই পার্ক। পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে নির্মল আনন্দে মেতে উঠতে ছুটির দিনগুলোতে এ বিনোদন কেন্দ্রে ভিড় করেন নানা বয়সী মানুষ। বছরের অন্যান্য ছুটির দিন গুলোসহ নানান উৎসবে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর থাকে এই পার্ক।

যেভাবে যাবেন :
ঢাকা থেকে সড়ক পথে ময়মনসিংহে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন পরিবহনের বাস রয়েছে। মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন পরিবহনের বাসে চড়ে আড়াই থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যে ময়মনসিংহে পৌঁছাতে পারবেন। মহাখালী ছাড়াও কমলাপুর বিআরটিসি টার্মিনাল থেকে ঢাকা-নেত্রকোনা রুটের গাড়িতেও ময়মনসিংহে আসা যায়। এখানে ভাল পরিবহনের মধ্যে রয়েছে এনা ট্রান্সপোর্ট। ভাড়া পড়বে ২২০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে সৌখিন পরিবহন। ভাড়া পড়বে ১৫০ টাকা। এছাড়া চাইলে ট্রেনেও ময়মনসিংহ আসতে পারেন। ঢাকা থেকে তিস্তা এক্সপ্রেস, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসে চড়ে ময়মনসিংহ পৌঁছাতে পারেন। এগুলো সব আন্তঃনগর ট্রেন। এরপর ময়মনসিংহ শহরে নেমে রিক্সা, ইজিবাইক কিংবা অটোরিকশায় চড়ে পৌঁছে যেতে পারবেন বিপিন পার্কে।যেখানে থাকবেন :
ময়মনসিংহে থাকার জন্য নানা ধরনের হোটেল রয়েছে। আপনার পছন্দমতো যেকোনটিতে থাকতে পারেন। এখানকার কিছু উল্লেখযোগ্য হোটেল হল : হোটেল আমির ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুস্তাফিজ ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল হেরা, হোটেল সিলভার ক্যাসেল, হোটেল খাঁন ইন্টারন্যাশনাল, নিরালা রেস্ট হাউস, হোটেল ঈশা খাঁ, হোটেল উত্তরা, তাজমহল ইত্যাদি।রুবাইদা আক্তার এস এম