ঘুরে আসুন শাপলার রাজ্য সুনামগঞ্জের বিকিবিল থেকে
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : ২০১৯ সালে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষিত হয় বিকিবিল হাওড়

আরও পড়ুন : সুনামগঞ্জের শিমুল বাগান: ফাগুনে সৌন্দর্যের আগুন লাগে যেখানে
প্রাকৃতিকভাবেই হাওড়ে ফোটে লাল শাপলা। শুধুমাত্র বিকিবিল নয়, পুরো গ্রামটিই শাপলার রাজ্য। সূর্যোদয় থেকে বেলা দশটা পর্যন্ত লাল শাপলার রঙিন রক্তিম আভা ভালোভাবে উপভোগ করা যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে রৌদ্রের প্রখরতাপে কিছুটা ম্রিয়মাণ হয়ে পড়ে বিকিবিল। তবে বেলা পড়তেই আবার নতুন চেহারায় হাজির হয় বিকিবিল। বিকেলে হাওড়ে শাপলার মাঝে ভেসে ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ের চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করা যায়। ১০-১২ বছর আগে বিলটিতে অল্প পরিমাণে শাপলা ফুটলেও বর্তমানে পুরো হাওড় শাপলার আচ্ছাদনে ঢাকা থাকে। হাওড়ে পানি থাকে ৬ মাস। বাকিটা সময় এখানে বোরো ধানের চাষ করা হয়।

আরও পড়ুন : ইতিহাস আর ঐতিহ্যের প্রচ্ছদে সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর
সুনামগঞ্জ যেন একটি প্যাকেজ। একের ভেতরে অনেকের মতো সুনামগঞ্জে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। হাওড়, হিজল গাছ, শিমুল বাগান, সবুজ ধানক্ষেত, শহীদ সিরাজ লেক, টাঙ্গুয়ার হাওড়, পাহাড় সবই রয়েছে সুনামগঞ্জে। বিকিবিলের শাপলা শুধুমাত্র ভ্রমণপিপাসুদের তেষ্টা মেটায় তাই নয়, স্থানীয়রা বাজারে শাপলা বিক্রি করে অর্থোপার্জনও করে থাকে। স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য হওয়াতে এলাকার গরীবদের খাদ্যের অভাবও পূরণ হয় বিকিবিলের মাধ্যমে। স্থানীয়রাই নিজ উদ্যোগে হাওড়ের শাপলার পরিচর্যা করে থাকে।
কীভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে সায়েদাবাদ বা মহাখালী থেকে বাসে করে সুনামগঞ্জ যাওয়া যায়। বাস ভাড়া ৫৫০ টাকা। সুনামগঞ্জ শহর থেকে মোটরসাইকেল করে সরাসরি বিকিবিল হাওড়ে যাওয়া যায়, এতে খরচ পড়বে ১২০ টাকা। বিল ঘুরে দেখার জন্য নৌকা ভাড়া করার ব্যবস্থা রয়েছে, এতে ঘণ্টা প্রতি খরচ পড়বে ১০০-২০০ টাকার মতো।
ইন্দিরা বিশ্বাস এস এম