বাগান : মিয়ানমারের মন্দিরের শহর
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : মন্দিরের শহর বাগান- প্যারাসুটে বাগানের নজরকাড়া সৌন্দর্য উপভোগ


মন্দিরের শহর বাগান- দেখার মতো যা যা আছে
মন্দিরের সৌন্দর্য উপভোগ করা :
বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির ফলে মন্দিরগুলোর অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গেছে, কিন্তু আজও প্রায় ২ হাজারের মত মন্দির অক্ষত রয়েছে বাগানে। বাগানের বেশকিছু মন্দির নির্মিত হয়েছিল সাধারণ জনগণ এমনকি মধ্যবিত্তদের দ্বারাও। মন্দির নির্মাণকে তারা পূন্যকাজ হিসেবে মনে করতেন। তাই সকলেই চেষ্টা করতেন নিজেদের যোগ্যতায় মন্দির নির্মাণ করতে। তবে, প্যাগান রাজা কর্তৃক নির্মিত মন্দিরগুলো স্থাপত্যকলায় সেরা ও সৌন্দর্যমন্ডিত। বাগান পুরাতত্ত্ব জোনের ভেতরেই এর অধিকাংশ মন্দির দেখা যাবে। তাই কষ্ট করে ২০০০ মন্দির ঘুরতে হবে না। তবে সময় বাচাতে বাগানের সেরা মন্দিরগুলো আগে দেখে নিতে পারেন। টিকেট কেটে বাগানের পুরাতত্ত্ব জোনে প্রবেশ করতে হবে। যেহেতু মন্দিরগুলো বৌদ্ধদের উপাসনার স্থান, তাই যাবার আগে জুতা খুলে প্রবেশ করতে হবে এবং মার্জিত পোশাক পরিধান করতে হবে।মন্দিরের শহর 'বাগান' এ প্যারাসুটে ভ্রমণ :
বাগানের মন্দিরের দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায় ওপর থেকে। আর প্যারাসুটের মাধ্যমে এই দৃশ্য উপভোগের মতো সুযোগ আর নেই। এতে করে প্রায় ২,০০০ ফুট ওপর থেকে আপনি বাগানের নজরকাড়া সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। অক্টোবর থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়ের মাঝে গেলে আপনি প্যারাসুটের মাধ্যমে বাগানের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।
ইরাবতী (Irrawaddy) নদীর তীরে সূর্যোদয় উপভোগ :
প্যারাসুটে করে বাগান ঘুরে দেখার সামর্থ্য যদি আপনার না হয় তবে মন খারাপের কিছু নেই। কারণ মন্দিরগুলোর সিঁড়ি পার করে ছাদ থেকে দেখা মেলে ইরাবতী নদীতে সূর্যোদয়ের মোহনীয় দৃশ্য।সাইকেলে করে বাগান ভ্রমণ :
যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তবে দুই চাকার সাইকেলে করে আপনিও বের হয়ে যেতে পারেন বাগান ভ্রমণে। বাগান শহরের আশেপাশে প্রায় সর্বত্রই ভাড়ায় সাইকেল পাওয়া যায়, আর ভাড়াও কম। তাই কষ্ট করে পায়ে হেটে এক মন্দির থেকে আরেক মন্দির না গিয়ে চাইলে সাইকেলে করে বাগানের রহস্যময় সৌন্দর্য উদঘাটন করতে পারেন।বার্মিজ খাবারের স্বাদ গ্রহণ :
যেহেতু বাগানের স্থাপত্যকলা দেখতে বিশ্বজুড়ে পর্যটক এখানে আসে, তাই এখানে খাবারে বিশ্বের সকল ধরণের খাবারের স্বাদ পাবেন। বার্মিজ খাবার ছাড়াও এখানে পাবেন চাইনিজ, থাই, ভারতীয়, তিব্বতীয়সহ নানান এলাকার খাবার।
ইন্দিরা বিশ্বাস এস এম