পর্যটন খাতের উদ্যোক্তাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য ইক্যাব ই-ট্যুরিজম কমিটির ৪ দফা দাবি
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : ইক্যাব ই-ট্যুরিজম কমিটির ৪ দফা দাবি
বাংলাদেশের করোনার আক্রমণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির স্বীকার হওয়া খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে পর্যটন খাত। এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে হলে এবং এই খাতে কাজ করে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজন সরকারি সহায়তা। ইকমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর ই-ট্যুরিজম স্ট্যান্ডিং কমিটির পক্ষ থেকে করোনা সংকট কালীন সময়ে আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য ৪ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।
ইক্যাব ই-ট্যুরিজম কমিটির ৪ দফা দাবি
কমিটির সর্বশেষ মিটিং-এ ই-ক্যাবের ট্যুরিজম মেম্বারদের বর্তমান করোনা মহামারী সংকটকালীন সময়ে আর্থিক ক্ষতির বিষয় সমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়। ই-ক্যাবের সদস্যগণ ৯৯% ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। সরকারের বোঝা না হয়ে এ উদ্যোক্তাগণ আত্মকর্মসংস্থান এর সাথে সাথে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। করোনা মহামারী সংকট কালীন সময়ে মুষ্টিমেয় ২/১ টি প্রতিষ্ঠান বাদে সকল প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ আছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে পর্যটন খাত। পর্যটন খাতের আয়কে সারা বিশ্বে রপ্তানী আয় হিসেবে গণ্য করা হয়। এমতাবস্থায় এ খাতকে বাঁচানো এবং ঘুরে দাঁড়ানোর স্বার্থে নিম্নোক্ত দাবী সমূহ ই-ক্যাবের মাধ্যমে সরকারের নিকট পেশ করা হয়েছে-
১. বিনা সূদে বা স্বল্পসুদে ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করা। সেটা কোম্পানী ভেদে ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটি পর্যন্ত হতে পারে।
২. চলমান ব্যাংক লোন থাকলে ৬ মাস পর্যন্ত ইন্সটলমেন্ট এবং সুদ মওকুফ করা।
৩. এমপ্লয়িদের জন্য ৬ মাস সময় পর্যন্ত বেতনের ব্যবস্থা করা।
৪. ৬ মাস সময় পর্যন্ত অফিস ভাড়ার ব্যবস্থা করা।
এছাড়া সভায় পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাথে ই-ক্যাবের একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক করে ই-ট্যুরিজম সেক্টরের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ই-ট্যুরিজম ষ্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ নাসিমা আক্তার নিশা, চেয়ারম্যান মোঃ গিয়াস উদ্দীন, ভাইস চেয়ারম্যান সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম, আহসান রনি, মোহাম্মদ ইমরান, আব্দুস সামাদ, নিজাম উদ্দীন আল সুমন, রেজাউল করিম ও মুয়িয মাসুম এ ভার্চুয়াল মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।
সুত্র: ইক্যাব ই-ট্যুরিজম কমিটি।
আরো পড়ুন ঃ বার্লিনের দর্শনীয় সাত দিক
