চিকিৎসা সেবায় জড়িতদের বিনামূল্যে পিপিই দেবে ইউ এস বাংলা

ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : ইউ এস বাংলা ঃ চীন থেকে নিজেদের বিমানেই আনবে পিপিই



ইউ এস বাংলা

ইউ এস বাংলা এয়ারলাইনস। ছবি : সংগৃহীত



মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপের উন্নত দেশগুলোসহ সমগ্র বিশ্ব চলমান করোনা সংকটে আজ বিপর্যস্ত। উন্নত দেশগুলো যেখানে জরুরী চিকিৎসা সামগ্রীর যোগানে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে বাংলাদেশে এর চরম সংকটই স্বাভাবিক। সরকারের একার পক্ষে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব না। তবে, আমাদের দেশের বেসরকারি সংস্থাগুলো এই সংকটে এগিয়ে আসতে শুরু করেছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দূর না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সসহ চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতদের সুরক্ষায় বিনামূল্যে পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস। বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার নিজস্ব বিমানে চীন থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন অনুযায়ী তৈরি পিপিই নিয়ে আসা হবে। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকরা হটলাইন নম্বরে ফোন দিয়ে পিপিই-র চাহিদা জানালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তা সরবরাহ করবে। ইউ এস বাংলা'র কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলোর পরিচালকরা এই হটলাইন নম্বর : ০১৯২৯ ৪১৭৩০৬-এ যোগাযোগ করলে চাহিদা মতো পিপিই দ্রুততম সময়ে সরবরাহ করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

ইউ এস বাংলা

'করোনাভাইরাস ঝড়ে কাঁপছে পুরো বিশ্ব। বর্তমান প্রেক্ষাপটে চিকিৎসক ও নার্সদের পর্যাপ্ত সুরক্ষার মাধ্যমে এই সংকটময় পরিস্থিতিতে রোগীর সেবা দেওয়া খুবই জরুরি। এ অবস্থায় আমরা পিপিই সরবরাহের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি' বলে জানান ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন। আবদুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, 'গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস, স্যানিটাইজার, ইনফ্রারেড থার্মোমিটারসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী বাংলাদেশ থেকে চায়নায় ফ্লাইট চালানোর একমাত্র অনুমতিপ্রাপ্ত এয়ারলাইনস ইউএস-বাংলা চায়না থেকে আসা ফ্লাইটে সাধারণ কার্গোর পরিবর্তে বিনা মূল্যে পরিবহন করছে।' দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে ইউ এস বাংলা'র এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এভাবে যদি সব বেসরকারি সংস্থাগুলো সংকটকালীন দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ায় তাহলে এই দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এই স্বাস্থ্য সংকটের সময় সবচেয়ে জরুরী চিকিৎসা সেবার জড়িতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ইউ এস বাংলা সেই চেষ্টাই করছে।  

এস এম

আরো পড়ুন ঃ 'মনের মানুষ'-এর খোঁজে কোলকাতা থেকে চণ্ডীগড়, হিমাচল, পাঞ্জাবের পথে পথে