করোনাকালীন হোটেল-রিসোর্ট খোলা রাখতে আন্তর্জাতিক কী কী নিয়ম মানতে হবে?

ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : হোটেল খুলতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেয়া হয়েছে ১৫টি নির্দেশনা



পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাই হবে হোটেল কর্তৃপক্ষের জন্যে প্রধান পদক্ষেপ।

পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাই হবে হোটেল কর্তৃপক্ষের জন্যে প্রধান পদক্ষেপ। ছবি : দ্য গার্ডিয়ান


করোনা ভাইরাসের ভয়ংকর থাবায় বন্ধ রয়েছে বিশ্বের সব ধরণের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান। যোগাযোগ ব্যবস্থাকে একেবারে স্থবির করে ফেলেছে মারণঘাতী এই ভাইরাস। স্বাস্থ্য সংকটে থাকা সব দেশ বন্ধ করে দিয়েছে তাদের সীমান্ত। স্থল, আকাশ, এমনকি নৌ-পথ ও অচল হয়ে আছে দীর্ঘ দুই মাসের ও বেশি সময় ধরে। এশিয়ার থেকে উৎপত্তি হয়ে ইউরোপ-আমেরিকার সব দেশকেই নাজেহাল করে ফেলেছে এই করোনা আতঙ্ক। পৃথিবী থেমে থাকার নয়, মানব সভ্যতা তাই আবার শুরু করেছে আগের যাত্রা, সচল হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এরই সাথে ধীরে ধীরে গুটি গুটি পায়ে চলতে শুরু করেছে পর্যটন শিল্প। যদিও বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে, স্বাস্থ্য সতর্কতার জন্য নিতে হয়েছে অনেক সতর্কীমূলক ব্যবস্থা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক দূরত্বসহ নতুন মানের আলোকে, বিশ্বব্যাপী হোটেল ব্যবসা সচল হতে শুরু করেছে। ইউরোপের দেশ স্পেনের জিডিপি’র ৩য় বৃহত্তম উৎস পর্যটন খাত। করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে নাজেহাল দেশটি আবারও ঘুরে দাঁড়াতে সেই পর্যটনকেই সাথে নিয়ে চলতে শুরু করেছে। যার ফলে দেশটিতে ক্রমেই খুলে দেয়া হচ্ছে হোটেল-মোটেল-রিসোর্টগুলো।


তুরস্কে নানা স্বাস্থ্য সচেতনামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সচল করতে যাচ্ছে পর্যটন শিল্প

তুরস্ক নানা স্বাস্থ্য সচেতনামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সচল করতে যাচ্ছে পর্যটন শিল্প। ছবি : ডেইলি সাবাহ




 স্পেনের মতো বিশ্বের অনেক দেশেরই গুরুত্বপূর্ণ খাত পর্যটন, আর পর্যটনের জন্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ হোটেল ব্যবসা। আতিথেয়তার মতো জনগণের এই শিল্প আজ মারাত্মক সংকটে। লোকেরা সংক্রমণ ছড়াতে বা সংক্রামিত হতে ভয় পায় যাতে তারা অত্যধিকভাবে সামাজিক দূরত্বে লিপ্ত হয়েছে। তবে, এই দূরত্ব তো আর অনন্তকাল চলতে পারে না। মানুষে-মানুষে যোগাযোগ, দেশ-বিদেশ ছুটে চলা চলবেই। তাই দেশগুলোর স্বাস্থ্য মন্ত্রীরা এই নিষেধাজ্ঞাগুলি শিথিল করে এবং হোটেলগুলো আবারও চালু করার অনুমতি দিতে শুরু করেছে। হোটেলের পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি, কর্মীদের প্রশিক্ষণ, অতিথিদের জীবানুমুক্তকরণ ব্যবস্থা, অনলাইন মাধ্যমকে আলিঙ্গনসহ নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। করোনা অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে এবং এর ঝুঁকি যে মারাত্মক তা আমরা এখন আর অস্বীকার করতে পারব না। তাই সংক্রমণের ঝুঁকি এড়িয়ে হোটেল ব্যবসা কীভাবে সচল রাখা যায় সে সম্পর্কে আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় নানান ব্যবস্থা ও নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা হবে এই লেখায়।




হোটেল ব্যবসায় অনলাইন সহায়তা ই হবে প্রধান মাধ্যম। ছবি : সংগৃহীত


ভাগ্যক্রমে, করোনা ভাইরাসের শেষ হতে চলেছে, যদিও এর থেকে পুরোপুরি মুক্তি মিলতে এখনও অনেক সময় বাকি। তবে, সে পর্যন্ত অপেক্ষা করা সম্ভব না। মানুষকে কাজ করতে হবে, অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হবে। পর্যটন শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, যার ওপর নির্ভর করে অনেক দেশ।


মোবাইল চেক-ইন এবং চেক-আউট চালু করা

দ্রুত চেক-ইন/চেক-আউট বিকল্পটির অর্থ হচ্ছে অতিথিদের অভ্যর্থনাতে সারিবদ্ধভাবে আর সময় কাটাতে হবে না। আগে থেকেই অ্যাপের মাধ্যমে নথির একটি ফটো জমা দিয়ে এটি অর্জন করা যেতে পারে। আসার পরে তাদের যা করতে হবে তা হ'ল অভ্যর্থনা ডেস্ক কর্মীদের সাথে আলাপচারিতা ছাড়াই তাদের ইউনিক কোড বলে হোটেল রুমের দরজাটি একটি ফোন দিয়ে আনলক করা। হোটেলে অতিথি এবং কর্মীদের মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার জন্য এটা হতে পারে এক নম্বর বৈশিষ্ট্য।




ছবি : সংগৃহীত



স্মার্টফোনের মাধ্যমে যোগাযোগহীন পেমেন্ট

স্মার্টফোনের মাধ্যমে নগদ অর্থ লেনদেন ছাড়াই দ্রুত এবং সহজতম উপায়ে বিল শোধ করা যায়। এই ব্যবস্থাটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। কাগজের নোট ব্যবহার, বিলের কাগজ ব্যবহার ছাড়া অনলাইন কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বিল পরিশোধ করলে একদিকে যেমন সংক্রমণের ঝুঁকি এড়ানো যায়, অন্যদিকে সময় বাঁচবে।


মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কিছু অর্ডার করার সুযোগ

অতিথীদের খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করার জন্য তাদের একটি বিতরণ পরিষেবা প্রয়োজন। তাদের চাহিদা পূরণের সর্বোত্তম উপায় হ'ল আঞ্চলিক মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে খাবার এবং পানীয় অর্ডার করা। গ্রাহক এবং কর্মী উভয়কেই সুরক্ষিত করতে উভয় মাস্ক পরে রুমে বসেই খাবার গ্রহণ-প্রদান করতে পারবে। কিংবা অর্ডার করার পর তা রুমের বাইরে রেখে রেখে দেয়া যেতে পারে, যাতে সরাসরি কন্টাক্টে না এসে অতিথি-কর্মী উভয়ই সুরক্ষিত থাকতে পারে।




ছবি : সংগৃহীত


 

সরাসরি চ্যাটের মাধ্যমে অতিথির চাহিদা পূরণ করে

এই পরামর্শটি উপরে বর্ণিত একটির সাথে সংযুক্ত। কারও কোনও বিশেষ পছন্দ যুক্ত করতে কোনও অতিথিকে ব্যক্তিগতভাবে কর্মীদের সাথে যোগাযোগের প্রয়োজন হয় না। সমস্ত প্রয়োজনীয় যোগাযোগ সরাসরি লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে করা যেতে পারে। এই ব্যবস্থার মূল সুবিধা হ'ল কোনও ব্যক্তিগত যোগাযোগের সাথে জড়িত না থেকে রিয়েল-টাইমে অতিথিদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা। হোটেল কর্তৃপক্ষ জরুরী পরিস্থিতিতে সহায়তা সরবরাহ করতে বা অতিথিদের থাকার বিষয়ে অতিরিক্ত প্রয়োজনীয়তাগুলি নিয়ে আলোচনা করতে পারে লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে। এছাড়াও যেসব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে তা হচ্ছে : *অতিথি প্রবেশের আগে তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া, থার্মাল স্ক্যানার কিংবা তাপমাত্রা মাপার যথাযথ যন্ত্রপাতি রাখা এবং তা পরিচালনায় কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া।


হোটেলে থার্মাল স্ক্যানিং ব্যবস্থা

হোটেলে থার্মাল স্ক্যানিং ব্যবস্থা। ছবি : দ্য টেলিগ্রাফ


  *অতিথিদের কক্ষে প্রবেশের পর তাদেরকে স্যানিটাইজার, সাবান এবং টিস্যু সরবারহ করা।

*যেসব স্থান ঘন ঘন স্পর্শ করা হয় তা পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করতে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া।

*স্যানিটাইজার ব্যবহার, ডিসপোজেবল গ্লোভস এবং সার্জিক্যাল মাস্ক পরার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করা।

*সঠিকভাবে লন্ড্রি কীভাবে করবে তা কর্মীদের শেখানো। অসুস্থ ব্যক্তির কাছ থেকে নোংরা লন্ড্রি গ্রহণের সময় তাদের অবশ্যই গ্লাভস পরতে নির্দেশনা দেয়া।

*শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ফিল্টারগুলোর অবস্থা এবং বায়ুচলাচল, এয়ার এক্সচেঞ্জ এবং ডিহিউমিডিফিকেশন সরঞ্জামগুলোর যথাযথ কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কক্ষের অভ্যন্তরে বাতাস চলাচল বজায় রাখার ব্যবস্থা শেখানো।




ছবি : সিএনবিসি


  *অতিথি ত্যাগের পর কক্ষ জীবানুনাশক দিয়ে জীবানুমুক্ত করার এবং বায়ু চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা বজায় রাখার প্রশিক্ষণ দেয়া।

*কক্ষ পরিস্কারের পর কমপক্ষে ২০-৩০ সেকেন্ড সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিস্কার করার প্রশিক্ষণ দেয়া।

*হোটেলের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছণ্ণতামূলক পোস্টার টাঙানো।

*শ্বাস প্রশ্বাসের শিষ্টাচার অনুসরণের গুরুত্ব এবং বাধ্যবাধকতার ওপর জোর দিতে হবে। গ্রাহক এবং কর্মীদের অবশ্যই টিস্যু বা কনুই দিয়ে ঢেকে হাঁচি বা কাশি দেয়া নিশ্চিত করা।

*যেসব অঞ্চলে গ্রাহক এবং কর্মীরা দীর্ঘ সময় ধরে জমায়েত হন, সেখানে শারীরিক দূরত্ব (দেড় থেকে ২ মিটার) বজায় রাখার পদক্ষেপনেয়া।

উদাহরণস্বরূপ : রেস্তোঁরা বা লবিতে সর্বাধিক সংখ্যক লোক থাকে সেখানে মার্কিং করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে হবে।




ছবি : লস এঞ্জেলেস টাইমস


*যদি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, তবে প্লাস্টিকের টেলার প্যানেল ব্যবহারের মতো সুরক্ষার প্রতিবন্ধক পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করার বিষয়টি বিবেচনা করুন। হোটেলবাসীদেরও এমন বিশেষ ব্যবস্থা করা উচিত যা বাইরের এবং আভ্যন্তরীণ অঞ্চলে জীবাণুনাশক ব্যবস্থা এবং শারীরিক দূরত্ব প্রয়োগ করতে দেয়। এসব ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে হোটেল ব্যবস্থাকে নিরাপদ রেখে চালু রাখা যায়। ইউরোপের দেশগুলোতে হোটেল-রিসোর্ট চালু রাখতে উপরে উল্লিখিত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেও মহামারি করোনাভাইরাস প্রকোপের প্রেক্ষিতে হোটেল খোলার ক্ষেত্রে ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে।


সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে বারবার স্পর্শ করা বস্তু

সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে বারবার স্পর্শ করা বস্তু। ছবি : এবিসি নিউজ



দেশের ৮ জন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা চীন ও অন্যান্য দেশের সংশ্লিষ্ট কারিগরি নির্দেশনাগুলো অধ্যায়ন ও পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের জন্য এই নির্দেশনা তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

আরও পড়ুন : করোনাউত্তর পর্যটন শিল্পের পুনরুদ্ধার, সুরক্ষা ও বিকাশে জাতিসংঘের গাইডলাইন

১. খোলার আগে মহামারি প্রতিরোধী সামগ্রী যেমন : মাস্ক, জীবাণুমুক্ত করা সামগ্রী ইত্যাদি সংগ্রহ করতে হবে। আপদকালীন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। আপদকালীন সংক্রমিত বস্তুর ডিসপোজাল এলাকা স্থাপন করতে হবে। সকল ইউনিটের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণকে জোরদার করা।

২. কর্মীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। প্রতিদিন কর্মীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক অবস্থা নথিভুক্ত করা এবং যারা অসুস্থতা অনুভব করবে তাদের সঠিক সময়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

৩. হোটেলে যারা ঢুকবেন তাদের তাপমাত্রা মাপার জন্য হোটেল লবিতে তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণকারী যন্ত্র স্থাপন করা এবং শুধুমাত্র স্বাভবিক তাপমাত্র সম্পন্ন ব্যক্তিদের ঢুকতে দেয়া।

৪. অফিসে বায়ু চলাচল বাড়ানো। সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এয়ার কন্ডিশনার স্বাভাবিক মাত্রায় চালানো। বিশুদ্ধ বাতাস চলাচল বৃদ্ধি করা। বের হওয়ার বাতাস যেন আবার ঢুকতে না পারে সে ব্যবস্থা করা।

৫. বারবার হাতের সংস্পর্শে আসা দরজার হাতল ও অন্যান্য সর্বসাধারণের ব্যবহার্য সুবিধাসমুহ যেমন- এলিভেটর ও পাবলিক টয়লেট নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা। অতিথিদের রুমে যন্ত্রপাতি ও থালা-বাসন প্রত্যেকবার ব্যবহারের পর জীবাণুমুক্ত করা। খাবার থালাবাসন পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করার ওপর জোর দিতে হবে।




সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে বারবার স্পর্শ করা বস্তু। ছবি : বিজনেস ইনসাইডার


 ৬. লবি ও লিফটের প্রবেশপথ ফ্রন্ট ডেস্ক ও অতিথিদের বারান্দা পরিষ্কার-পরিচছন্ন রাখতে হবে এবং সময়মতো ময়লা পরিষ্কার করতে হবে।

৭. গণশৌচাগারগুলোতে হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ লিকুইড সাবান প্রদান করা এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সাধারণ কার্যকারিতা নিশ্চিত করা।

৮. অতিথি এবং পরিদর্শনকারীদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার কথা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ফ্রন্ট ডেস্কের লাইনে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা করা।

৯. স্টাফদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা জোরদার করা। মাস্ক পরতে বাধ্য করা। হাতের হাইজিনের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। লবিতে এলিভেটরের প্রবেশপথে ফ্রন্ট ডেস্কে এবং এ ধরনের জায়গায় দ্রুত শুকিয়ে যায় এ রকম হাত জীবাণুনাশক বা হাত জীবাণুনাশক ইন্ডাক্টিভ ডিভাইস স্থপন করার ব্যবস্থা করা।

১০. সবাইকে হাঁচি দেয়ার সময় মুখ এবং নাক টিস্যু বা কনুই দিয়ে ঢাকতে হবে।

১১. অতিথিদের মাস্ক পরিধান করতে হবে।




সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে বারবার স্পর্শ করা বস্তু। ছবি : বিজনেস ইনসাইডার


 ১২. সেই সঙ্গে জমায়েত হওয়ার মতো কার্মকাণ্ড যেমন- একসঙ্গে খাওয়া, প্রশিক্ষণ, মিটিং এবং আতিথেয়তা কমিয়ে দিতে হবে। ১৩. পোস্টার, ইলেকট্রনিক স্ক্রিন এবং বুলেটিন বোর্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্য জ্ঞান পরিবেশন জোরদার করা। ১৪. যদি নিশ্চিত কোভিড-১৯ রোগী থাকে তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে জীবাণুমুক্ত করা। সেই সঙ্গে এয়ার কন্ডিশনিং ও ভেন্টিলেশন সিস্টেমকে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ১৫. মাঝারি ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে রেস্তোরাঁগুলোকে বিজনেস আওয়ার কমিয়ে আনতে হবে।  

নাবিলা বুশরা   এস এম